• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে জমি বিরোধের জেরে গাছপালা ও বাঁশঝাড় কাটার অভিযোগ মনোহরদীতে পল্লী চিকিৎসক সমিতির উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত। মনোহরদীতে,স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে :স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনোহরদীতে নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মনোহরদীতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গাজীপুর থেকে একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার মনোহরদীতে গাঁজা সেবন করে উশৃঙ্খল আচরণ, যুবকের ৫ মাসের কারাদণ্ড চাঁদাবাজ-দখলবাজদের প্রশ্রয় নয়, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোহরদীতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য ২৪ ঘণ্টায় উদঘাটন, বাবা গ্রেপ্তার

ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা ইরানি হ্যাকারদের

Reporter Name / ৫৭২ Time View
Update : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

[ad_1]

দখলদার ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরানি হ্যাকাররা —এমন দাবি করেছে একটি হিব্রু ভাষার প্রযুক্তিবিষয়ক গণমাধ্যম।  বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে হিব্রু ভাষার পিসি ম্যাগাজিন জানায়, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাইবার যুদ্ধ নতুন কোনো বিষয় নয়; অন্তত গত তিন বছর ধরে এই সংঘাত চলমান রয়েছে।  এই সাইবার যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে নাশকতামূলক হামলা, গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিভিন্ন অপারেশন।

এদিকে, চলতি বছরের জুন মাসে শুরু হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানি সাইবার হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, শত্রু হ্যাকাররা দ্রুত তাদের কৌশল পরিবর্তন ও অভিযোজন করে সাইবার জগতে কার্যকর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে। 

পিসি ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ এটি স্বীকৃত হবে যে চলতি বছরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সাইবার আঘাত হানার ক্ষেত্রে ইরানই শীর্ষে অবস্থান করছে—যদিও তেল আবিব নিজেকে প্রযুক্তিগতভাবে উদ্ভাবনী ও সাইবার নিরাপত্তায় নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসাবে তুলে ধরে। জুন মাসে ‘জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা’র বিরুদ্ধে সাইবার হামলার সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ছোট ও মাঝারি আকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। 

হ্যাকারদের লক্ষ্যবস্তুতে ছিল ল ফার্ম, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ সেবাদাতা সংস্থা এবং লজিস্টিকস সেবাপ্রদানকারী কোম্পানিগুলো। একই সঙ্গে কাস্টমস ক্লিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কোম্পানিগুলোকেও দখলে নেওয়ার দাবি করা হয়। আরেক অংশে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় সাইবার আঘাত হানার জন্য দায়ী কয়েকটি হ্যাকিং গ্রুপের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিপুলসংখ্যক হামলার মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুডিওয়াটার, চার্মিং কিটেন , ডার্কবিট, ফিনিক্স সাইবার স্টর্ম এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হানজালা।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category