• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরদীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় ২ হাজার তালবীজ রোপণ বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস: সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাই হোক পরিচয় মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রুদ্র গ্রেপ্তার মনোহরদীতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ সম্প্রচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে জমি বিরোধে বৃদ্ধ নিহত, হত্যা মামলার আসামি ইয়াসিন গ্রেপ্তার মনোহরদীতে মানিক মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’, ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: ২ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ মনোহরদীতে ইয়াবা সেবনের সময় যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

আড়াইহাজারে হত্যা মামলার আসামি ৬ ইউপি চেয়ারম্যান সরকারি সভায়

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন

[ad_1]

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একাধিক হত্যা মামলার পলাতক আসামি ৬ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সরকারি সভায় অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সভা শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুর রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বলেও জানা গেছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় ওই চেয়ারম্যানরা অংশ নেন। এর আগে একই স্থানে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ইউএনওর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা চলাকালে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানরা মিলনায়তনের নিচতলায় অবস্থান করছিলেন। সভা শেষে তারা সমন্বয় সভায় যোগ দেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সভায় অংশগ্রহণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গেছে।

সভায় উপস্থিত চেয়ারম্যানরা হলেন—হাইজাদী ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন, বিশনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, উচিৎপুরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন, খাগকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম, মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান এবং কালাপাহাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ফয়জুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তাদের নাম রয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর প্রকাশ্যে সরকারি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, হত্যা মামলার আসামিদের কোনোভাবেই সরকারি সভায় অংশ নেওয়া উচিত নয়। এটি দৃষ্টিকটু এবং প্রশাসনের উচিত দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত চেয়ারম্যানদের মধ্যে কালাপাহাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ফয়জুল হক দুইবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের পর বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। তবে বাকি পাঁচজন এখনো জামিনে নেই বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আড়াইহাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকি ছয়টিতে এখনো আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চেয়ারম্যানরা দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, তারা হত্যা মামলার আসামি—এ তথ্য তার জানা ছিল না। বিষয়টি দুঃখজনক এবং মামলা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুর রহমান জানান, চেয়ারম্যানরা হত্যা মামলার আসামি—এটি তার জানা ছিল না। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের হার বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করতে সভাটি ডাকা হয়েছিল। ভবিষ্যতে তাদের আর ডাকা হবে না।



[ad_2]


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category